গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মুসলিমরা হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর জন্য ক্যান্সারস্বরূপঃ
==========================================
গণতন্ত্র আর গণতান্ত্রিক মুসলিমরা হচ্ছে কুফফার ও মুনাফিকদের একটা ষড়যন্ত্র। মুসলিম উম্মাহকে দাবাই রাখা, তাদেরকে শোষণ করার হাতিয়ার। গণতন্ত্র আর গণতান্ত্রিক মুসলিমদের দিয়ে মুসলিম উম্মাহকে নিরস্ত্রকরন ও মুজাহিদদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া ও প্রচার করা একটা গভির ষড়যন্ত্র।
রাসুল (সাঃ) তো কখনই অস্ত্র ত্যাগ করেননি। এমনকি মক্কা বিজয়ের সময়ই ও তিনি অস্ত্র ত্যাগ করেননি। হত্যা করেছিলেন কিছু কাফিরদের। তাহলে গণতান্ত্রিক মুসলিমরা কি রাসুল (সাঃ) কেউ সন্ত্রাসী বলবেন?????!!!!
মক্কা বিজয়ের দিন আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) নয় ব্যক্তি কে হত্যার নির্দেশ জারি করেন যে, এরা যদি কা‘বার গেলাফের নীচেও আশ্রয় নেয়, তথাপিও তাদের হত্যা করা হবে। ) وأمر بقتلهم وإن وجدوا تحت أستار الكعبة (
এই নয় জন ছিল- (১) আব্দুল উযযা বিন খাত্বাল (২-৩) তার দুই দাসী, যারা রাসূলকে ব্যঙ্গ করে গান গাইত (৪) সারাহ- যে আব্দুল মুত্ত্বালিবের সন্তানদের কারু দাসী ছিল। এই দাসীই মদীনা থেকে গোপনে হাতেব বিন আবী বালতা‘আহর পত্র বহন করেছিল।
(৫) ইকরিমা বিন আবু জাহল (৬) আব্দুল্লাহ বিন সা‘দ বিন আবী সারাহ (৭) হারেছ বিন নুফাইল বিন ওয়াহাব (৮) মিক্বইয়াস বিন হুবাবাহ ) مقيس بن حبابة) (৯) হোবার ইবনুল আসওয়াদ ) هبار بن الأسود ( ।
পরে এদের মধ্যে চারজনকে হত্যা করা হয় এবং পাঁচ জনকে ক্ষমা করা হয়। তারা সবাই ইসলাম কবুল করেন। যাদেরকে হত্যা করা হয়, তারা হ’ল- (১) আব্দুল উযযা ইবনু খাত্বাল। সে কা‘বা গৃহের গেলাফ ধরে ঝুলছিল। জনৈক ছাহাবী এখবর দিলে রাসূল (ছাঃ) তাকে হত্যার নির্দেশ দেন।
(২) মিক্বয়াস বিন হুবাবাহ। এ ব্যক্তি ইতিপূর্বে মুসলমান হয়ে জনৈক আনছার ছাহাবীকে হত্যা করে মুরতাদ হয়ে মুশরিকদের সঙ্গে মিলিত হয়েছিল। নুমায়লা বিন আব্দুল্লাহ তাকে হত্যা করেন।
(৩) হুওয়াইরিছ বিন নুক্বাইয বিন ওয়াহাব। এ ব্যক্তি মক্কায় রাসূলকে কঠিনভাবে কষ্ট দিত। এ ব্যক্তি মক্কা থেকে মদীনায় প্রেরণের সময় রাসূল-কন্যা হযরত ফাতেমা ও উম্মে কুলছূমকে তীর মেরে উটের পিঠ থেকে ফেলে দিয়েছিল। (A) হযরত আলী তাকে হত্যা করেন।
(৪) ইবনু খাত্বালের দুইদাসীর মধ্যে একজন।
অতঃপর ক্ষমাপ্রাপ্ত পাঁচজন হ’লেন : (১) আব্দুল্লাহ ইবনু আবী সারাহ সে ইতিপূর্বে একবার ইসলাম কবুল করে মুরতাদ হয়ে যায়। মক্কা বিজয়ের দিন হযরত ওছমান তাকে সাথে নিয়ে রাসূলের দরবারে এসে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। পরে তার ইসলাম খুবই ভালছিল। (২) ইকরিমা বিন আবু জাহল। তার স্ত্রী এসে আশ্রয় প্রার্থনা করলে তাকে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে ইয়ামনের পথে পলায়নরত ইকরিমাকে স্ত্রী গিয়ে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তার ইসলাম খুবই ভাল ছিল।
(৩) হোবার ইবনুল আসওয়াদ। এ ব্যক্তি রাসূলের গর্ভবতী কন্যা যয়নবকে হিজরতের সময় তীক্ষ্ণ অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছিল। যাতে তিনি আহত হয়ে উটের পিঠের হাওদা থেকে নীচে পাথরের উপরে পতিত হন এবং তাঁর গর্ভপাত হয়ে যায়। মক্কা বিজয়ের দিন এই ব্যক্তি পালিয়ে যায়। পরে মুসলমান হয় এবং তার ইসলাম সুন্দর ছিল।
(৪) ইবনু খাত্বালের দুই গায়িকা দাসীর মধ্যে একজনের জন্য আশ্রয় চাওয়া হয়। অতঃপর সে ইসলাম কবুল করে। (৫) সারাহর জন্যও আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় এবং সেও ইসলাম কবুল করে। (B)
(A. সীরাতে ইবনে হিশাম ২/৪১০।
B. এ সম্পর্কে বিস্তরিত আলোচনা নাসাঈ হা/৪০৬৭, সনদ ছহীহ; মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/৩১৮০; মুওয়াত্ত্বা মুরসাল সনদে)
==========================================
গণতন্ত্র আর গণতান্ত্রিক মুসলিমরা হচ্ছে কুফফার ও মুনাফিকদের একটা ষড়যন্ত্র। মুসলিম উম্মাহকে দাবাই রাখা, তাদেরকে শোষণ করার হাতিয়ার। গণতন্ত্র আর গণতান্ত্রিক মুসলিমদের দিয়ে মুসলিম উম্মাহকে নিরস্ত্রকরন ও মুজাহিদদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া ও প্রচার করা একটা গভির ষড়যন্ত্র।
রাসুল (সাঃ) তো কখনই অস্ত্র ত্যাগ করেননি। এমনকি মক্কা বিজয়ের সময়ই ও তিনি অস্ত্র ত্যাগ করেননি। হত্যা করেছিলেন কিছু কাফিরদের। তাহলে গণতান্ত্রিক মুসলিমরা কি রাসুল (সাঃ) কেউ সন্ত্রাসী বলবেন?????!!!!
মক্কা বিজয়ের দিন আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) নয় ব্যক্তি কে হত্যার নির্দেশ জারি করেন যে, এরা যদি কা‘বার গেলাফের নীচেও আশ্রয় নেয়, তথাপিও তাদের হত্যা করা হবে। ) وأمر بقتلهم وإن وجدوا تحت أستار الكعبة (
এই নয় জন ছিল- (১) আব্দুল উযযা বিন খাত্বাল (২-৩) তার দুই দাসী, যারা রাসূলকে ব্যঙ্গ করে গান গাইত (৪) সারাহ- যে আব্দুল মুত্ত্বালিবের সন্তানদের কারু দাসী ছিল। এই দাসীই মদীনা থেকে গোপনে হাতেব বিন আবী বালতা‘আহর পত্র বহন করেছিল।
(৫) ইকরিমা বিন আবু জাহল (৬) আব্দুল্লাহ বিন সা‘দ বিন আবী সারাহ (৭) হারেছ বিন নুফাইল বিন ওয়াহাব (৮) মিক্বইয়াস বিন হুবাবাহ ) مقيس بن حبابة) (৯) হোবার ইবনুল আসওয়াদ ) هبار بن الأسود ( ।
পরে এদের মধ্যে চারজনকে হত্যা করা হয় এবং পাঁচ জনকে ক্ষমা করা হয়। তারা সবাই ইসলাম কবুল করেন। যাদেরকে হত্যা করা হয়, তারা হ’ল- (১) আব্দুল উযযা ইবনু খাত্বাল। সে কা‘বা গৃহের গেলাফ ধরে ঝুলছিল। জনৈক ছাহাবী এখবর দিলে রাসূল (ছাঃ) তাকে হত্যার নির্দেশ দেন।
(২) মিক্বয়াস বিন হুবাবাহ। এ ব্যক্তি ইতিপূর্বে মুসলমান হয়ে জনৈক আনছার ছাহাবীকে হত্যা করে মুরতাদ হয়ে মুশরিকদের সঙ্গে মিলিত হয়েছিল। নুমায়লা বিন আব্দুল্লাহ তাকে হত্যা করেন।
(৩) হুওয়াইরিছ বিন নুক্বাইয বিন ওয়াহাব। এ ব্যক্তি মক্কায় রাসূলকে কঠিনভাবে কষ্ট দিত। এ ব্যক্তি মক্কা থেকে মদীনায় প্রেরণের সময় রাসূল-কন্যা হযরত ফাতেমা ও উম্মে কুলছূমকে তীর মেরে উটের পিঠ থেকে ফেলে দিয়েছিল। (A) হযরত আলী তাকে হত্যা করেন।
(৪) ইবনু খাত্বালের দুইদাসীর মধ্যে একজন।
অতঃপর ক্ষমাপ্রাপ্ত পাঁচজন হ’লেন : (১) আব্দুল্লাহ ইবনু আবী সারাহ সে ইতিপূর্বে একবার ইসলাম কবুল করে মুরতাদ হয়ে যায়। মক্কা বিজয়ের দিন হযরত ওছমান তাকে সাথে নিয়ে রাসূলের দরবারে এসে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। পরে তার ইসলাম খুবই ভালছিল। (২) ইকরিমা বিন আবু জাহল। তার স্ত্রী এসে আশ্রয় প্রার্থনা করলে তাকে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে ইয়ামনের পথে পলায়নরত ইকরিমাকে স্ত্রী গিয়ে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তার ইসলাম খুবই ভাল ছিল।
(৩) হোবার ইবনুল আসওয়াদ। এ ব্যক্তি রাসূলের গর্ভবতী কন্যা যয়নবকে হিজরতের সময় তীক্ষ্ণ অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছিল। যাতে তিনি আহত হয়ে উটের পিঠের হাওদা থেকে নীচে পাথরের উপরে পতিত হন এবং তাঁর গর্ভপাত হয়ে যায়। মক্কা বিজয়ের দিন এই ব্যক্তি পালিয়ে যায়। পরে মুসলমান হয় এবং তার ইসলাম সুন্দর ছিল।
(৪) ইবনু খাত্বালের দুই গায়িকা দাসীর মধ্যে একজনের জন্য আশ্রয় চাওয়া হয়। অতঃপর সে ইসলাম কবুল করে। (৫) সারাহর জন্যও আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় এবং সেও ইসলাম কবুল করে। (B)
(A. সীরাতে ইবনে হিশাম ২/৪১০।
B. এ সম্পর্কে বিস্তরিত আলোচনা নাসাঈ হা/৪০৬৭, সনদ ছহীহ; মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/৩১৮০; মুওয়াত্ত্বা মুরসাল সনদে)
পুঁজিবাদ , গনতন্ত্র , ভোগবাদ , সেকুরারিজম , ফ্রিডম একই বৃত্তের (জীবনব্যবস্থা ) অংশ যেই বৃত্তের কেন্দ্র হল আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে প্রব্রিত্তির দাসে মানুষকে পরিনত করা ।।
ইসলাম , শরিহায় , তাওহীদ (কালেমা / একত্ববাদ ) , আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন , খিলাফাহ একই বৃত্তের ( জীবনব্যবস্থা ) অংশ যে বৃত্তের কেন্দ্র হল শুধুমাত্র শরিয়াহকে প্রতেক ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার মাধ্যমে একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে আল্লাহর দাসে মানুষকে পরিনত করা ।।
আল্লাহ প্রদত্ত ইসলাম নামক জীবনব্যবস্থার সহিত মানব রচিত অন্য কোন জীবন ব্যবস্থার কোন অংশ নূন্যতমভাবে আনুগত্য এবং গ্রহণ করারও অর্থ হল আল্লাহর সার্বভৌমত্বের সহিত অন্য কিছুর সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নেয়া যা শিরক নামক সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধের নামান্তর মাত্র ।।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন