রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৪

গণতন্ত্র নয় পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব

https://docs.google.com/file/d/0BwMZMMz8qXo8YjA1YzAxM2EtZjkzNi00NmMxLWI5MzEtNWQ5YWQ2Njc4YWNi/edit?sort=name&layout=list&pid=0BwMZMMz8qXo8ZmQ5Y2Q4MTktNjk0Yi00OGVlLThmYTAtNmEyNTU1YTQ2MmYw&cindex=72&pli=1

সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৪

ঈমান কুফর(তাওহীদ এবং শিরক)





পৃথিবীতে দুইটা ক্যাম্প, একটা হল ঈমান আরেকটা ক্যাম্প অফ কুফর(তাওহীদ এবং শিরক)
ইসলামকে Judge করার জন্য নির্বাচনকে পরিমাপক কিংবা মানদন্ড হিসেবে নিলাম অর্থা নির্বাচনের সাথে কিছুটা মিল থাকায় ধরে নিলাম ইসলাম গনতন্ত্র সমর্থন করে এবং ইসলাম একটি গনতান্ত্রিক ব্যবস্থাইসলাম বুঝাতে গনতন্ত্র সমাজতন্ত্রের সাহায্য প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে এটা বলতে হবে যে আল্লাহ অসীম নয়, আল্লাহ পারেন নাই একটি পুর্নাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা দিতে এবং কোরানে যা বলা হয়েছে তা সত্য নয় গনতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবীরা যা বলবে সেটাই সঠিক ! "গনতন্ত্র কি বা সমাজতন্ত্র কি" এগুলো বুঝানোর জন্য তো ইসলামের সাহয্য লাগে না তাহলে এর মানে কি দারালো?? তন্ত্র মন্ত্র ইসলামের চেয়ে যুগোপযুগি?? তাহলে কি আল্লাহ মিথ্যাবাদী(নাউযুবিল্লাহ)?? ইসলাম সর্বযুগের জন্য যুগপযুগি বলে আল্লাহ কি আমাদের ধোকা দিয়েছেন?? মুসলিমদের গণতন্ত্রের ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান এব তাদের করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেবেবইটি ডাউনলোড করুন এখানেঃ
https://ia700509.us.archive.org/28/items/BnIslamicRulingOnVoting/bn_islamic_ruling_on_voting.pdf
খিলাফতকে ভেঙ্গে তুরস্ককে সেকুলারাইজ করার মূল নায়ক ষড়যন্ত্র সফল হওয়া ১৯২৪ সালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব লর্ড কার্জন পার্লামেন্টে সদম্ভে ঘোষণা করেছিলেন,‘বাস্তবতা এমন যে, তুরস্ক আজ মৃত, আর কখনো সে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারবে না কারণ, আমরা তার নৈতিক শক্তিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, আর তার নৈতিক শক্তি ছিল খিলাফত ব্যবস্থা ইসলাম’ (“The situation now is that Turkey is dead and will never rise again, because we have destroyed its moral strength, the Caliphate and Islam”.) লর্ড কার্জন সতর্ক করে বলেন, আমাদের সে সব বিষয়গুলোও ধ্বংস করতে হবে যা মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে কার্জনের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি অক্টোবর, ২০০৫ আমরা ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রসচিব চার্লস ক্লার্কের হেরিটেজ ফাউন্ডেশন (British Home Secretary Charles Clarke) বক্তব্যের মাঝেও পাই তিনি বলেন, খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা শরিয়া আইন বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো আলোচনা হতে পারে না পথে হাঁটার ব্যাপারে মুসলিমদের হুশিয়ারি করা হয়েছে মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্রায়নের সঙ্কট সম্ভাবনা----খা রী ফু জ্জা মা
লেখক : লেখক মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিবিষয়ক এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
shoheldu412@gmail.com   
আজঃঢাকা, বুধবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০ ভাদ্র ১৪২০, ২৭ শাওয়াল ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২টা Amar desh    
http://www.amardeshonline.com/pages/printnews/2013/09/04/214965
আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার নাম মুতিপূঁজা গনতন্ত্র...হিন্দুরা যেমন নিজেরাই মাটি দিয়ে মুর্তি তৈরী করে নিজেরাই সেগুলোর দাসত্ব করে আবার সময় হলে নিজেরাই মুর্তির পাছায় লাথি দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়গনতান্ত্রিক মুশরিকগন নিজেরাই ভোট দিয়ে তাগুত শাসক (মিথ্যা রব) নির্বাচন করে! ইসলামের উদাহরণ হলো সুগন্ধির ন্যায়, যা কোন অপবিত্র স্থান থেকে অনুভব করা যায় না যদি "মলমূত্র"কে ঘাটলে সুগন্ধি পাওয়া যেত তাহলে গণতন্ত্রের মধ্যে ইসলাম পাওয়ার সম্ভাবনাও ভাবা যেতপুঁজিবাদ , গনতন্ত্র , ভোগবাদ , সেকুরারিজম , ফ্রিডম একই বৃত্তের (জীবনব্যবস্থা ) অংশ যেই বৃত্তের কেন্দ্র হল আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে প্রব্রিত্তির দাসে মানুষকে পরিনত করা ।।
গণতন্ত্র এই যুগের সব থেকে মারাত্মক শিরিক !! মানুষ নিজে আল্লাহ বলে দাবি করে থাকে নিজেকে আল্লাহর সিফাত 'আল-হাকিম' - আইন দাতা দাবি করে পার্লামেন্টের মেম্বার হয়ে, মানব রচিত আইন দিয়ে শাসন করে..আর এইটাই গণতন্ত্র,এর থেকে বড় শিরিক কি আর হতে পারে? আল্লাহ কোরআনে বলেছেন:
"
আল্লাহ একমাত্র বিধানদাতা"{:৫৭} "যারা আল্লাহর দেওয়া বিধান ত্যাগ করে অন্য বিধান দিয়ে শাসন (বিচার,ফয়সালা) করে ওরা কাফির..{:৪৪}
যেই বেক্তি কুফুর দিয়ে শাসন করলো সেত শিরিক করলই সাথে যে ওই বেক্তিকে ভোট দিয়ে ওই ক্ষমতা দিল সেও শিরিক করলো
একজন মুশরিক যদি তার শিরক কর্মকে অস্বীকার করে, তবুও তা শিরক এই অস্বীকার করা উক্ত কাজের status পরিবর্তন করেনা একজন মাতালের মদ খাওয়া পরবর্তী মদকে অন্য নামে সম্বোধন মদকে হালাল করেনা তেমনি মানবরচিত শাসনব্যবস্থাও কুফর শাসনব্যবস্থাই থাকে, একে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি লেবেল দিয়ে যতই মানুষের অধিকারের মিথ্যা ঢোল পিটানো হোক না কেন!
ভোট দিয়ে এই জালিম মুর্তাদ শাসকদের এই সব পাপ করার সুজুগ করে দিয়েছেনসব পাপ কুফুরি কাজের একটি অংশ আপনিও পাবেন কারন, আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
যে লোক ৎকাজের জন্য সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি
অংশ পাবে আর যে লোক মন্দ কাজের জন্য সুপারিশ করবে সেও তার বোঝার একটি অংশ
পাবে বস্তুতঃ আল্লাহ্ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল[ সূরা নিসাঃ ৮৫
পৃথিবীতে দুইটা ক্যাম্প, একটা হল ক্যাম্প অফ ঈমান এবং আরেকটা ক্যাম্প অফ কুফর ক্বিয়ামত দিবসে দুইটা শ্রেণীর জন্য দুইটা জায়গা রাখা আছে, জান্নাত এবং জাহান্নাম, মাঝে কিছু নেই তাওহীদ এবং শিরক পানি এবং তেলের মতশালীনতা এবং অশ্লীলতা একটা সমাজে একসাথে চলতে পারে না বস্তুত ইসলাম ইসলামই সমাজতন্ত্র সমাজতন্ত্রই গণতন্ত্র গণতন্ত্রই ইসলাম আল্লাহর বিধান এর আর কোন শিরোনাম নেই এবং আর কোন বিশেষণ নেই আল্লাহ তা'লা এর যে একমাত্র শিরোনাম বিশেষণ নির্ধারণ করেছেন, তা হচ্ছে ইসলাম পক্ষান্তরে সমাজতন্ত্র গণতন্ত্র হচ্ছে মানবরচিত ব্যবস্থাসাইয়্যেদ কুতুবের উক্তিটি যে বই থেকে নেওয়া হয়েছে টা ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে:http://www.mediafire.com/?rgal26vwor10aca 
"যারা কুফরির পথে চলেছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের মাল সন্তানাদি কোনো কাজে আসবে না তারা দোযখের লাকড়ি হয়েই থাকবে_ সূরা আলে ইমরান : ১০
আসাবিয়্যাত বা সাম্প্রদায়িকতা Nationalism
সংজ্ঞাঃ আসাবিয়্যাত এই যে,নিজ কওম অন্যায়ের উপর থাকা সত্ত্বেও মানুষ নিজের কওমকে সাহায্য করে[মুসনাদে আহমাদ]
আসাবিয়্যাতের ভয়াবহতাঃ
হযরত জুবায়ের ইবনে মুতঈম (রাঃ)হইতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যক্তি আসাবিয়্যাতের অহমিকার [দাওয়াত] দেয় সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় আর যে ব্যক্তি আসাবিয়াতের ভিত্তির উপর [লড়াই] করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়আর যে আসাবিয়্যতের [জোশের] উপর মারা যায় সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়[আবু দাউদ]
উল্লেখ্য, আপন কওমকে মহব্বত করা আসাবিয়্যাত নয়আসাবিয়্যাত এই যে,নিজ কওম অন্যায়ের উপর থাকা সত্ত্বেও মানুষ নিজের কওমকে সাহায্য করে[মুসনাদে আহমাদ] আরেকটা বিষয় হচ্ছে, মুসলমানদের জন্য কোন রাষ্ট্রীয় সীমানা নেইপুরা পৃথিবীর যেখানেই মুসলমানরা থাকুক না কেন তারা একে অন্যের ভাইনিজেকে একটা ছোট্ট রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে বন্দি করে ফেলার মত অজ্ঞতা নীচু মানসিকতা, মুসলমানদের পরিহার করা উচিত কেননা এটা ইসলামের শিক্ষা নয়
ইসলামের আলোকে গণতন্ত্র কি?

ইন্নালহামদু লিল্লাহ! নাহ্মাদুহূ ওয়া নাস্তা'ঈনুহূ ওয়া নাস্তগ্ফিরুহূ ওয়ানু'মিনুবিহী ওয়ানাতাওয়াক্কালু আলায়হি, ওয়া না'উযু বিল্লাহি মিন শুরুরি আনফুসিনা ওয়ামিন সাইয়্যেআতি 'মালিনা মাইয়্যাহ্দিহিল্লাহ্ ফালা মুযিল্লালাহূ ওয়া মাইয়্যুযলিল্হু ফালা হাদিয়ালাহূ ওয়া আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহ্ - ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু আম্মা বা' ফাআ'উযু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রাজীম

সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ সুবহানওয়াতলা' মহান দরবারে লাখো শুক্রিয়া জ্ঞাপন করছি যিনি আমাদের ইসলামের সত্যটা নির্ভয়ে প্রচারণার তাউফিক এনায়েত করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ্ দরুদ সালাম পেশ করছি হুজুরে পাক সাঃ এর ওপর

আজকের সুন্নাহর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে 'গণতন্ত্র' কে এই ফায়সালাতেই আমরা দেখব গণতন্ত্র কি, কেন এবং কুরআন সহিহ সুন্নাহর আলোকে কতটুকু গ্রহণযোগ্য একটু বড় হলেও আশা করি সকলেই পড়বেন এবং সত্যটা চিনতে পারবেন সেইসাথে যেকোনো গণতন্ত্র সমর্থনকারির সাথে শক্তিশালি বিতর্কে অংশ নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্ গণতন্ত্র নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জবাব নিয়ে সাজানো হয়েছে এই লেখাটি
এই আলোচনার প্রথমেই আমরা জানবো, গনতন্ত্র কী?
-
আমার মতে 'যে পদ্ধতিতে জনসাধারণের মত সাপেক্ষে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাকেই গনতন্ত্র বলে' আর গনতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত রাষ্ট্রশাসক থাকলে রাষ্ট্রকে গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলা যায়
আসুন দেখি এই ব্যাপারে উইকিপিডিয়া কি বলে
~
গণতন্ত্র হলো কোন জাতিরাষ্ট্রের (অথবা কোন সংগঠনের) এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সমান ভোট বা অধিকার আছে গণতন্ত্রে আইন প্রস্তাবনা, প্রণয়ন তৈরীর ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের অংশগ্রহনের সমান সু্যোগ রয়েছে, যা সরাসরি বা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হয়ে থাকে যদিও শব্দটি সাধারণভাবে একটি রাজনৈতিক রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা হয় তবে অন্যান্য সংস্থা বা সংগঠনের ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য, যেমন বিশ্ববিদ্যালয়, শ্রমিক ইউনিয়ন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি
সুত্রঃ [bn.wikipedia.org/wiki/গণতন্ত্র]

ইতিহাসঃ
টানা ২০০ বছর এদেশ ইংরেজরা শাসন শোষণের পর যখন তিতুমির/হাজী শরিয়তউল্লাহদের ইংরেজবিরোধী বিদ্রোহ করতে দেখল তখন তারা বুঝতে পারল এদেশে আর এভাবে সরাসরি শাসন করা যাবেনা ঠিক তখনই 'অমর শাসনত্ব' প্রতিষ্ঠা করার জন্যই তারা এমন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করলো যে পদ্ধতির মাধ্যমে জনগন প্রকৃতপক্ষে পরাধিন থাকলেও নিজেদের সাধিন মনে করবে কিন্তু তাদের আগের মতই ইংরেজদের গোলাম বানিয়ে রাখা যাবে
এই পদ্ধতির মাধ্যমে তারা এমন এক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা চালু করলো যার মাধ্যমে তাদের নিজস্ব শিক্ষা সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তদের বড় বড় রাষ্ট্রীয় পদ দেওয়া হলো যাতে মুসলিম সহ অন্য জাতি মনে করে পাশ্চাত্য শিক্ষা ছাড়া অন্য কোন উপায়ে উন্নতি লাভ করা সম্ভব নয় যার কারনে কিছু মুসলিমরা তাদের নিজস্ব ধর্মীয় সংস্কৃতি মুল বিশ্বাস বাদ দিয়ে যোগ দিলো তাদের সাথে ফাঁদে
ইংরেজরা এমন এক ব্যাবস্থা চালু করেছিল যার মাধ্যমে পার্থিব উন্নতি অর্থা দাজ্জালের জান্নাতের চাবিকাঠি ঝুলয়ে দিলো তাদের নিজস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজায় যার কারনে শিক্ষার শিক্ষিত হয়ে এমন এক সংকর জাতি সৃষ্টি হলো যাদের জন্ম আমাদের সমাজেই অথচ তাদের চিন্তা-চেতনা, মূল্যবোধ, আচার-আচরন সব কিছুই ইংরেজদের মত ধীরে ধীরে ইংরেজদের চাল সফল তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ একসাথে পাশাপাশি শিক্ষা লাভ করেই ক্ষান্ত থাকেনি বরং নিজেদের মাঝে প্রেম-প্রনয় বিনিময় ঘটিয়ে আধুনিকতার নামে নষ্টামির পরিচয় দিয়েছে তারা মজা করতে করতে আল্লাহ্ আইনকে সেকেলে বলে(হয়তোবা পরোক্ষভাবে) অবজ্ঞা করেছে
আর সংকর জাতের জাতির দ্বারাই প্রভুত্ব বিস্তার এবং জনসাধারণকে নিজের গোলাম বানিয়ে রাখার প্রবণতা দেখতে পাওয়া যায় মূলত আগের ইংরেজ লর্ডরা আর বাংলায় আসেনি বরং দেশে থাকতেই এদেশে কিছু ভাইরাস রেখে গিয়েছিল যার কারনে তাদের আদর্শ / তরিকা অবলম্বন করে তাদের অনুসারীরা রাষ্ট্র পরিচালনা করে জনগনের মাঝে নিজের প্রভুত্ব বিস্তার করেছে ইংরেজরা নিজে খেয়ে পরে বাচতে চায়নি, তারা নিজের জীবন দিয়ে হলেও পৃথিবীতে নিজেদের আইন প্রতিষ্ঠা করে নিজেদের পরোক্ষভাবে আল্লাহ্ দাবী করতে চেয়েছিল, যে কাজে আজ আমরাই সাহায্য করছি

আর এই পদ্ধতির নামই গণতন্ত্র যার উদ্ভাবক আব্রাহাম লিংকন

গণতন্ত্র বা ডেমোক্রেসী শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ δημοκρατία (ডেমোক্রেসিয়া) থেকে, যার অর্থ "জনগণের শাসন" শব্দটির ৎপত্তি δμος (ডেমোস) "জনগণ" κράτος (ক্রাটোস) "ক্ষমতা" থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতকে এথেন্স অন্যান্য নগর রাষ্ট্রে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে বোঝাতে শব্দটির প্রথম ব্যবহার হয়

গনতন্ত্রের মুলনীতি কি?
-
গনতন্ত্রের মুলনীতি হলো জনগনই সকল ক্ষমতার উত্ অর্থা কাওকে উপযুক্ত চয়নের একমাত্র ক্ষমতা জনগনের রাষ্ট্রের প্রতি সকল নাগরিককে অনুগত থাকতে হবে এবং প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব আলাদা সংবিধান থাকতে হবে সেই সংবিধান অনুযায়ী আইন মেনে চলতে হবে অর্থা গণতন্ত্র হল একটি মানব দ্বীন বা মানবচরিত জীবন ব্যবস্থা বা মানব ধর্ম

গনতন্ত্রের কার্যক্রম কী?
-
গনতান্ত্রিক ভোটদান পদ্ধতিতে উপস্থিত প্রাপ্তবয়স্ক যোগ্য (Qualified) সকলেই তাদের মতামত স্বাধীনভাবে প্রদান করে এবং সংখ্যাগুরুতার  ভিত্তিতে নিবার্চন (Selection) করা হয়

এবার আসুন দেখি ইসলাম সম্পর্কে কি বলে? ইসলামের আলোকে গণতন্ত্র কি?

গনতন্ত্রে প্রাপ্তবয়স্ক সবার স্বাধীন মতামতের সুযোগ রয়েছে
কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক মানেই বুদ্ধিমান কিংবা জ্ঞ্যানী নয় একজন পিএইচডি করা ব্যক্তি আর একজন মুর্খ অশিক্ষিত ব্যাক্তির মাঝে তাদের উভয়ের চিন্তা চেতনার যথেষ্ট পার্থক্য আছে তারা একইভাবে কোন চিন্তা করেনা শিক্ষিত মানুষের দ্বারা বেশি উপকার হবে অপরদিকে একজন অশিক্ষিত জাতির দ্বারা বেশি উন্নতি আশা করা যায়না অথচ গণতন্ত্র বলে 'এখানে সবাই সমান' এইসব কথা বলে বোকাদের আটকিয়ে রেখেছে মায়াজালে তাহলে সবাই যদি সমান হয় তবে রাস্তা থেকে তুলে এনে সংসদে বসিয়ে দিন, সে পরিচালনা করুক দেশ
গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জ্ঞ্যানী এবং নির্বোধ সকলেই অংশ নেয় অথচ বিশ্বে জ্ঞ্যানীর চেয়ে নির্বোধের পরিমান অত্যাধিক বেশী আর যেহেতু সংখ্যাগুরুতার ওপর ভিত্তি করে  নিবার্চন হয়ে তাই কোন সমাজে নির্বোধ বেশী থাকায় তারা সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে এবং ভুল ব্যক্তিকে চয়ন করে বসে যার দৃষ্টান্ত আমরা দেখতে পাচ্ছি, মুর্খ অশিক্ষিতদের হাতে আজ দেশ

আল্লাহ্ বলেন, "যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথামত চল, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দিবে" (সূরা আনআম-১১৬)

তাই গনতন্ত্র নিঃসন্দেহে একটি ভুল সমাজ ব্যবস্থা কারন এতে অনেক লোকের মতামত নিয়ে চলতে হয় সুতরাং গণতন্ত্র কুরআনবিরোধী একটি ব্যাবস্থা কারন আমাদের সমাজে নির্বোধের সংখাই বেশি আল্লাহ্ নিজেই বলছেন

গনতন্ত্রের মুলনীতি হলো জনগনই সকল ক্ষমতার মুল উত্
কিন্তু আল্লাহ বলছেন সকল ক্ষমতার মুল ৎস অধিকারী একমাত্র তিনি তিনি ছাড়া কোন মাবূদ নেই রেফারেন্সঃ
"
কর্তৃত্বতো কেবল আল্লাহরই" (সূরা আন আনাম-)
"
তুমি বলো, হে সর্বভৌম ক্ষমতার মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান কর এবং যার নিকট থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা কেড়ে নাও যাকে ইচ্ছা  সম্মান দান কর যাকে ইচ্ছে পদদলিত কর সবকিছুই তোমার হাতে নিশ্চয় তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাবান" (সুরা আল ইমরান-২৬)

তাই গনতন্ত্র একটি ভুল শিরকি সমাজ ব্যবস্থা কারন গনতন্ত্রে আল্লাহ্ সাথে জনগনের শিরক করা হয় আল্লাহ্ সাথে যাদের তুলনা করা হয় বা শিরক করা হয় তারা সবই তাগুত আর তাগুত সম্পর্কে আল্লাহ্ আল কুরআনে ধমক দিয়ে বলছেন,
'
খবরদার এক আল্লাহ্ ব্যাতিত আর কোন মাবুদকে গ্রহন করোনা, কারন সামনে মাথা নত করোনা আর সকল তাগুতকে বর্জন করো' (সুরা নাহল-৩৬)

গনতন্ত্রে প্রতিটি রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় নিজস্ব সংবিধান তৈরী করা বাধ্যতামুলক এবং সকল গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিজস্ব সংবিধান রয়েছে আর সেই সংবিধান তৈরিতে আল্লাহ্ আইন বাদ দিয়ে নিজেদের বানোয়াট বিধান প্রতিষ্ঠা করা হয়

কিন্তু ইসলামে আল্লাহর বিধান পরিবর্তন করাটা একেবারেই হারাম হারাম এবং হারাম এবং যারা এটা করে তারা মুসলিম থাকেনা, তারা সাথে সাথে কাফির হয়ে যায়

রেফারেন্সঃ "আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিধান দেয়না তারা হল কাফের" {সূরা মায়িদা-৪৪}
"
আল্লাহ যা অবতীর্ণ
করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিধান দেয়না তারা হল জালেম" {সূরা মায়িদা-৪৫}
তাই গনতন্ত্র একটি কুফরি সমাজ ব্যবস্থা আর যারা গনতন্ত্রে বিশ্বাসী তারা কুফরি করে আর যারা বুঝে শুনে কুফি করে তারা কাফির হয়ে যায়, তাদের নতুন করে তাউবা করে ইমান আনা ফরজ হয়ে পড়ে কেননা নিজস্ব সংবিধান থাকা মানেই সংবিধানের রচয়িতাকে রব বলে মেনে নেওয়ারই শামিল

গনতন্ত্র হলো জুয়া কেননা এটি অনিশ্চিত ব্যবস্থা, এতে কে জয়ী হবে এবং পরাজয় হবে তা কেউ জানেনা এটি ভাগ্য পরীক্ষার শর তাই গনতন্ত্র  হলো ভাগ্যপরীক্ষার মতোই
আর জুয়া কিংবা ভাগ্যপরীক্ষা ইসলামে হারাম

রেফারেন্স:
"
হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈধ নয় অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাকো যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও" (সুরা মায়িদাহ-৯০)

"
তারা তোমাকে মদ জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে তবে বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছেতবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড় আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয়  ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পারো (সুরা আল বাকারা-২২৯)

তাই গনতন্ত্র হারাম এবং সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্থী এই গণতন্ত্র ইসলামের কোন আইন না, যারা গণতন্ত্র মানে তারা সরাসরি কুফরে লিপ্ত হয় আর কাফিরের শাস্তি জাহান্নাম

ফেরাউন কখনও বলেনি আমি সূর্যের মালিক, ফেরাউন কখনও বলেনি আমি চন্দ্রের মালিক, ফেরাউন কখনও বলেনি আমি এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা বরং সে বলেছে 'আমি পৃথিবীর ক্ষমতার মালিক অর্থা সার্বভৌমত্ব এর মালিক' আর আল্লাহ্ বলছেন 'সকল ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ্' আর একারনেই ফেরাউনের ওপর খোদা দাবী করার লানত বর্ষণ হয়েছে তাই অন্য কেউ যদি বলে 'আমরা সার্বভৌমত্বের মালিক' তবে সেও পরক্ষভাবে নিজেকে আল্লাহ্ দাবী করে ফলে সে হয়ে যায় তাগুত অর্থা মিথ্যা মাবূদ আর আল্লাহ্ বলেন 'খবরদার তোমরা এক আল্লাহ্ ছাড়া অন্যের ইবাদত করোনা, এবং তাগুতকে বর্জন করো' অর্থা তাগুতকে বর্জন না করলে ঈমান কখনই পূর্ণ হবেনা

আজকে গণতান্ত্রিক সকল রাষ্ট্রের প্রধানেরা বলছে 'আমরা এদেশের ক্ষমতার মালিক' আর এটা দাবী করার সাথে সাথে সে নিজেকে আল্লাহ্ দাবী করে বসে তাহলে আপনি যদি গণতন্ত্রের গোলামি করেন তবে আপনি রাষ্ট্র প্রধানদের বান্দায় পরিণত হবেন এবং তারা আপনার প্রভু হবে আপনি যদি এক আল্লাহরকে বাদ দিয়ে অন্যকে প্রভু হিসেবে মেনে নেন তবে আপনি কীভাবে নিজেকে মুসলিম দাবী করবেন?

বন্ধুগণ! খবরদার সাবধান হোন শিরকের কোন ক্ষমা নাই আল্লাহ্ বার বার সকল তাগুতকে বর্জন করার জন্য বলেছেন কারন এইসব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধানেরা প্রত্যেকেই দাজ্জালের উত্তরসূরি তাদের দেখানো পথের জান্নাত কেবল নামাজ কালামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসলামের কথা বললেই আপনি মৌলবাদী তাদের জান্নাত হল আল্লাহ্ জাহান্নাম

এবার শেষ অংশে গণতন্ত্র নিয়ে কিছু প্রশ্নের জবাবঃ

*
কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাসুল সাঃ প্রায়ই সাহাবীদের সাথে বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন এটা কি গণতন্ত্রের আলামত?

উত্তরঃ না কারন রাসুল সাঃ নিজে থেকে কোন সিদ্ধান্ত নিতেন না, সবই আল্লাহ্ নির্দেশে করতেন আর মজার ব্যাপার হলো সাহাবীদের সাথে তিনি আলোচনা করতেন ঠিকই তবে সাহাবীদের মাঝে ভোট করতেন না তাছাড়া সাহাবীরা সকলেই জ্ঞানী ছিলেন তাই সেখানে তাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ভুল হতোনা

*
রাসুলে পাক সাঃ এর মৃত্যুর পর খলিফা নির্বাচন কিভাবে করতেন?

উত্তর: রাসুলে কারীম সাঃ এর ইন্তেকালের পর খলিফা নির্বাচনে সাহাবীরাই মুখ্য ভুমিকা পালন করতেন আর তারা ছিলেন জ্ঞ্যানী বুদ্ধিমান তাই তাদের দ্বারা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্ন ওঠেনা  তাঁদের সমন্বয়ে কয়েক সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি  দল তৈরী করেছিলেন যারা সবকিছু বিচার বিশ্লেষন করে খলিফা নির্বাচন করতেন যেহেতু সেখানে বুদ্ধিমান লোকদের দ্বারা সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হতো  তাই নিবার্চন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতো
এখন এখানে প্রশ্ন আসতে পারে  ' কমিটি নির্বাচন করা হতো কীভাবে?'
হাদিসে এসেছে, ইমাম হওয়ার যোগ্যতা যাদের রয়েছে তারাই এটা হতে পারবেন সুতরাং খলিফা নির্ধারণের দায়িত্ব সহিহ সুন্নাহ মোতাবেক চলনেওয়ালা ইমাম মুজাহিদদের যারা আল্লাহ্ রাস্তায় জ্বিহাদ করছে

*
ইসলামে কোন তন্ত্রে বিশ্বাসী?

উত্তর: ইসলাম কোন তন্ত্র নামক মন্ত্রে বিশ্বাসী নয় ইসলাম কেবল খিলাফাতে বিশ্বাসী আর একমাত্র খিলাফতই সঠিক ব্যবস্থা কেননা এতে সংখ্যাগুরু নির্বোধদের প্রয়োজন হয়না, এর সকল বিধান এক আল্লাহ্ তৈরি করে দিয়েছেন খিলাফতে জনগন ক্ষমতার উত্ হয়না, নিজস্ব সংবিধান আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয়না এতে কোন রাষ্ট্রীয় শিরকের সুযোগ নেই এবং এটি জুয়া বা অনিশ্চিত না সুতরাং একমাত্র মুক্তির পথ খিলাফাত
আর খিলাফত আনতে হবে কেবল রাসুল সাঃ এর দেখানো পথে যেভাবে আল্লাহ্ বলেছেন, যেভাবে রাসুল সাঃ শিখিয়েছেন এবং যেভাবে সাহাবীরা পালন করেছেন আমাদেরও ঠিক সেভাবেই আল্লাহ্ দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে যদি রাসুল সাঃ এর দেখানো পথ বাদ দিয়ে আব্রাহাম লিংকনের গণতন্ত্র মেনে নিই তবে তা স্পষ্ট কুফরি হয়ে যাবে আর জেনে শুনে যারা কুফরি করে তারা কাফির হয়ে যায় এটা আমার ফতোয়া নয়, এটা স্বয়ং আল্লাহ্ বলেছেন
তাই আমার ভাই! আপনি কার তরীকা গ্রহন করতে ইচ্ছুক? রাসুল সাঃ এর তরিকা নাকি আব্রাহাম লিংকনের তরীকা?
* 'হুট করে আমরা দেশে ইসলামী শাসন কায়েম করতে পারবোনা তাই একটি কৌশল বা হিকমাহ অবলম্বন করেছি এতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদ বা রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেই আমরা দেশে ইসলামী আইন কায়েম করবো'

খণ্ডনঃ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও ইসলাম কায়েম করতে পারবেন না কারন ক্ষমতা পাওয়ার পরে গণতন্ত্রের মুল হোতা অ্যামেরিকা নিয়ন্ত্রন করবে এতে তারা কখনই দেশে খিলাফাত প্রতিষ্ঠা করতে দিবেনা তাছাড়াও বিরোধীদল অন্যান্য বাম দলেরা কখনই চাইবেনা দেশ ধর্ম নিরপেক্ষতা থেকে মুক্তি পাক এজন্য তারা দেশে আন্দোলন প্রতিরোধ করবে মুরশির মত সেনাবাহিনী কর্তৃক পদচুত্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে ফলে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে সেই সময় ক্ষমতা ছেড়ে আপনাদেরও রাজপথে নেমে লড়াই করতে হবে
সেই ভবিষ্যতের লড়াইটাই এখন করুন যাতে গণতন্ত্রের গোলামি না করতে হয়

* '
হুজুর পাক সাঃ কাফিরদের সাথেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তাই আমরাও গণতন্ত্র হেকমত হিসেবে চুক্তিবদ্ধ আকারে ব্যাবহার করছি'

খণ্ডনঃ রাসুল সাঃ কাফিরদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন ঠিকই তবে আল্লাহ্ আইন পরিবর্তনের চুক্তি নয় কাফিরদের সাথে রাসুল সাঃ এর শান্তি চুক্তি হয়েছিল কিন্তু রাসুল সাঃ খিলাফাতের জন্য কাফিরদের তৈরি আইন মেনে নিয়ে আল্লাহ্ আইন পরিবর্তন করে দেননি গণতন্ত্র হচ্ছে এমনই একটি জীবন ব্যাবস্থা যার কারনে আল্লাহ্ আইন বাদ দিয়ে মানবরচিত আইন মেনে নিতে হয় অন্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চাপে
চুক্তির ধারায় উল্ল্যেখ্য যে, কাফিররা মুসলিমদের মারবেনা এবং মুসলিমরা কাফিরদের মারবেনা কিন্তু কাফিররা যেহুতু চুক্তি ভঙ্গ করে গোটা বিশ্বে মুসলিম হত্যার খেলায় মেতে উঠেছে তখন আমাদের চুক্তিও পূর্ণ হয়েছে অর্থা তাদের সাথে আর কোন চুক্তি নেই
আপনি কি এমন কোন চুক্তি করবেন যে চুক্তির কারনে আপনি মুসলিম থেকেই খারিজ হয়ে যান?

অনেকেই বলে ইসলাম গনতন্ত্রকে সমর্থন করে আসুন আল কুরআন এর দৃষ্টিতে ইসলাম গণতন্ত্রকিছু মৌলিক পার্থক্য সম্পর্কে জেনে নেই.. # আল-কুরআনঃ "যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য " [:১৬৫]
গনতন্ত্রঃ জনগনই সকল ক্ষমতার ৎস
# আল-কুরআনঃ "আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই " [১২:৪০]

গনতন্ত্রঃ আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগন, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির (মদ, পতিতালয় বৈধও হতে পারে)
#আল-কুরআনঃ আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক [:২৬]
গনতন্ত্রঃ সার্বভৌমত্বের মালিক জনগন
# আল-কুরআনঃ "(হে নবী) আপনি যদি অধিকাংশের রায়কে মেনে নেন তাহলে তারা দ্বীন থেকে বিচ্যুত করে ছাড়বে" [:১১৬]
গনতন্ত্রঃ অধিকাংশের রায়ই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত
# আল-কুরআনঃ "আল্লা তাআলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন[:২৭৫]
গনতন্ত্রঃ গণতন্ত্র সূদভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করে
# আল-কুরআনঃ ব্যভিচার শাস্তিযোগ্যঅপরাধ [২৪:]
গনতন্ত্রঃ সংসদ পতিতালয়ের (যিনা) লাইসেন্স দেয়
# আল-কুরআনঃ ৎকর্ম খোদা ভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর পাপ সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না (:)
গনতন্ত্রঃ অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রার্থী নিজের সুনাম প্রতিদ্বন্দ্বীর কুৎসা রটায়
# আল-কুরআনঃ মদ, জুয়া, লটারী নিষিদ্ধ [:৯০]
গনতন্ত্রঃ মদ এর লাইসেন্স দেয় জুয়া, লটারী বৈধ
# আল-কুরআনঃ "হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না তারা একে অপরের বন্ধু তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না " [:৫১]
গনতন্ত্রঃ কোন সমস্যা নাই যার সাথে ইচ্ছা (আমেরিকা, ইসরাইল) বন্ধুত্ব কর

এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের হাতে গনতন্ত্র গ্রহন করবেন নাকি ইসলাম ... Allah knows the best

ইসলাম কখনো অন্ধ আনুগত্য সমর্থন করে না মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়াতের দাবি করার পাশাপাশি দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন প্রশ্নবাণে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জর্জরিত করে ঈমান আনার ঘোষনা দিয়েছেন হযরত যিমাম ইবনে ছালাবা (বুখারী)
পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না 
 ''...............এবং শিঘ্রই আসিবে নবুয়তের আদলে #খিলাফত'' ( মুসনাদে ইমাম আহমদ)
# ইসলামিক গণতন্ত্র!ইসলামিক মদের বোতল!!
--------------------------------------------------
কেউ যদি মদের বোতল খুলে তিনবার সুরা ফাতিহা আর দুইবার সুরা ইখলাস পরে ফু দেয় আর বোতলের ওপর আল্লাহ্ নাম লিখে রাখে, বিসমিল্লাহ লিখে রাখে তাহলে কি সেটা ইসলামিক মদের বোতল হবে? আর যদিও হয় তাহলে কি সেটা জায়েজ হবে?

ঠিক তেমনিভাবে, গণতন্ত্রের সাথে ইসলামকে দুমড়িয়ে মুচড়িয়ে মিলিয়ে আয়াতের অপব্যাখ্যা করে ইসলামিক ভাবে গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনীতি করলেই সেটা ইসলামিক গনতন্ত্র হবে??
বিসমিল্লাহ বলে শুয়োর জবাই দিলেও সেটা ইসলামিক শুয়োর হয়ে যায়না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এমন পতিতার সাথে সঙ্গম করলেই সেটা ইসলামিক বেশ্যাবৃত্তি হয়না



নামাজ রোযা সবই করেন অথচ কেবলমাত্র গণতন্ত্রে বিশ্বাস করার কারনেই পরোক্ষভাবে ফারদুল আইন বা বাধ্যতামূলক আইন অবজ্ঞার কারনে কাফির হয়ে যায় অনেক ভাইই আল্লাহ্ তাদের হেদায়াত দান করুন আমীন