জানিনা ৭১এ পাকবাহিনী কিভাবে মানুষ মেরেছে। তবে আমার এলাকা সীতাকুন্ডে আওয়ামীলীগ যেভাবে গুম, খুন করছে তা একটি যুদ্ধ সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট। পারভেজ ভাই, আমিন ভাই একের পর এক পরিচিত মুখগুলোকে নির্মমভাবে খুন হতে দেখছি।
ও আল্লাহ, এদেরকে আমি নিজ চোখে দেখেছি। এত নির্মম হত্যার শিকার হওয়ার মত অপরাধ উনারা করেন নি।
ও আল্লাহ, এই আওয়ামী কুফরী শক্তিকে ধ্বংস করে দিন। এরা মনুষ্যত্বের সবটুকু হারিয়ে ফেলেছে।
ও আল্লাহ, আমাদের ভাইদেরকে গণতান্ত্রিক রাজনীতির কুফল বুঝার তৌফিক দিন।
"আল্লাহুম্মা আলাইকা বি হাসিনা"
সকল ক্ষমতা জনগণের,জনগণের ভোটেই সরকার পরিবর্তন হয় তা মূলত eye wash ছাড়া আর কিছু না। নির্বাচনের পূর্ব মূহুর্তে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরী করা হয়, দেশের একমাত্র সমস্যা হলো একটা সুষ্ঠু নির্বাচন এবং নির্বাচন হলেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আওয়ামীলীগ বা বি,এন,পি যে দলই ক্ষমতায় আসুক সীমান্তে হত্যাকান্ড কি বন্ধ হবে, দ্রব্যমূল্যের দাম কি জনগনের হাতের নাগালে আসবে,ইসলামী আকিদা কি সুরক্ষিত থাকবে, আমাদের নদীগুলোতে কি প্রাণ সঞ্চার হবে, জনগনের জান-মালের নিরাপত্তা কি নিশ্চিত হবে, যদি উত্তর হয় ‘না’, তবে কিসের এই সাজানো নির্বাচন, কার জন্য এই নির্বাচন, আমাদের ছুড়ে ফেলে দেয়া দরকার এই নির্বাচনকে। খালেদা-হাসিনা নিপাত যাক....
আল্লাহ্ বলেন -
২ - ১১) আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি।
২ - ১২) মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা চিন্তা করে না।
বিষয়টা এরকম না ভাই জামাত-বিএনপি যেই হোক না জুলুম হলে উল্লাস করার কিছু নাই, তাদের পদ্বতিতে সমস্যা আছে তা আমরা সবাই জানি, তারা কুফরকেই বরং সাহায্য করছে ইসলামের নামে.........
আমি জানি জামাত ক্ষমতায় গেলে প্রথম আমাকেই মাইর দিবে। কারণ আমি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বলি। তবুও এইমুহূর্তে তারা মজলুম।
আমিও তো এইসকল জাতি রাষ্ট্রের বিরোধিতা করি। তাই বলে রাজনীতি করতে পারব না? রাসূল(সাঃ) ও তো জাতিরাষ্ট্রের বিরোধী ছিলেন। আপনি তো সেই কথাই বলছেন যা আবু জাহলরা বলত।
এখানে জুলুমের কথা কইত্থেকে আসলো??
এটা পাল্টাপাল্টি মারার ঘটনার একটা অংশ। এক ইনিংস শেষ হয়েছে আরেক ইনিংস শুরু হবে।
ফেসবুকেই দেখছি, তারা শপথ নিচ্ছে, খুনের বদলা খুন হবে, একটা লাশের বদলা দশ লাশ হবে। এটার নাম নাকি কিসাস!!
আমি জানি তারা এসব বাস্তবায়নও করবে, আগেও তারা করেছে। এখানে তাই জুলুমের প্রশ্নটা অবান্তর।
তাছাড়া, গত কয়েকমাসে যেভাবে ধারাবাহিক ভাবে জনগণের সম্পত্তি বিএনপি-জামাত মিলে সীতাকুন্ডে ধ্বংস করেছে, সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে ডাকাতি করেছে সেগুলোও দেখেছি। সাম্প্রতিক সময়ে এদের বাড়াবাড়ি কোন অংশেই কম ছিলো নাহ।
দু'পক্ষই নিপাত যাক, এই অর্থহীন রক্তের হোলিখেলা বন্ধ হোক।
আমি এটা নিয়ে কোন বিতর্কে যেতে চাই নাহ। এরপর আর কমেন্ট করবো না।
শুধু জামাত ধ্বংস হয়ে কি লাভ হবে??
জামাত আর আওয়ামীলীগের মধ্যে মিথোজীবিতার সম্পর্ক আছে। অস্তিত্ব আর রাজনীতির জন্য একজন আরেকজনের উপর নির্ভরশীল। ধ্বংস হলে দু'জনেই হবে কারণ তখন তাদের সিস্টেম থাকবে নাহ। আর নাহলে এভাবেই চলবে, কারণ বর্তমান সিস্টেম তাদের দু'দলকেই বহাল রাখবে।
১। মানুষের জন্য
ক) আল্লাহর আইন সরাসরি অস্বীকার করে, মানুষকেই আইন দেওয়ার একমাত্র অধিকারী মনে করে।
খ) আল্লাহর আইন আছে এটা স্বীকার করে, কিন্তু উপযোগী মনে করে না। মানুষের আইন উপযোগী মনে করে।
গ) আল্লাহর আইনকে উপযোগী মনে করে, কিন্তু মানুষের আইন বেশি উপযোগী মনে করে।
ঘ) দুটোই সমান মনে করে।
ঙ) আল্লাহর আইনকে বেশি উপযোগী মনে করে, তবে মানুষের আইনে চলতে আপত্তি নেই।
চ) মানুষের আইনকে সরাসরি সুস্পষ্টভাবে অস্বীকার করে।
এদের কোনক্ষেত্রে শরীয়াহ গত হুকুম কি? কাফির, জালিম, মুশরিক, ফাসিক, মুনাফিক, মুমিন?
২) উপরের বিষয়ে
ক) আওয়ামীলীগের অবস্থান কি হবে এবং জামাতের অবস্থান কি হবে?
৩) পাল্টা পাল্টি খুন অন্যায়ভাবে সংঘটিত হতে থাকলে একজন মুমিন তা সমর্থন করতে পারে কিনা বা উল্লসিত হতে পারেন কিনা? এমনকি যদি তারা ঈমানদার নাও হয়।
গণতন্ত্রের লিখিত তত্ত্ব
হচ্ছে জনপ্রতিনিধির দ্বারা জনগনের
মতামতের প্রতিফলন ঘটানো। অথচ
প্রকৃত এবং অলিখিত তত্ব হচ্ছে,
জনপ্রতিনিধির মতামতকেই জনগনের মুখ
দিয়ে বের করে আনা। চাই মিডিয়ার
ধাপ্পাবাজির মাধ্যমে জনগণের
মগজধোলাই করে, না হলে লাঠিয়াল বাহিনীর
মাধ্যমে বেদম প্রহার করে। একেই
বলে তথা কথিত গণ-সচেতনতা ....!
