শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

গণতন্ত্র এই যুগের মারাত্মক শিরিক !


গণতন্ত্র এই যুগের সব থেকে মারাত্মক শিরিক !!

এই যুগের সব থেকে বড় শিরিক হচ্ছে গণতন্ত্র..জি গণতন্ত্র পির পূজা,মাজার পূজা মূর্তি পূজা থেকেও বড় শিরিক..কারণ একটা গণতন্ত্রিক সরকার আইনের মাধ্যমে ওই পির পূজা মূর্তি পূজা বৈধ করে দেয়..যদি ইসলামী রাষ্ট্র (খিলাফত) থাকত তাহলে এইসব শিরিক শরীয়ত মুতাবিক রাষ্ট্রীয় ভাবে অবৈধ করে দেওয়া হবে..

গণতন্ত্র ক্রিস্তিয়ানিটি থেকেও আরো মারাত্মক..কারণ ইসলামিক রাষ্ট্রে কিস্টানরা (নাসারা রা) তাদের ধর্ম তাদের নিজেদের মধ্যে পালন করবে তাদের গির্জায় বা ঘরে, ওরা ওদের ধর্মের প্রতি অন্যদের দাওয়াত দিতে পারবেনা যেইভাবে বাংলাদেশে বা বিভিন্ন মুসলিম দেশে এন,জি,ও এর মাধ্যমে ওরা মুসলিমদের ক্রিস্টান বানাচ্ছে..আর এইসব এই গণতন্ত্রের কারণে কারণ একটি গণতান্ত্রিক সিস্টেমে একজন মুসলিম ইসলাম ধর্ম তাগ করে হিন্দু,ক্রিস্টান বা নাস্তিক হওয়ার অধিকার রাখে...কিন্তু ইসলামিক রাষ্ট্রে কোনো বেক্তি যদি ইসলাম ধর্ম তাগ করে মুরতাদ হয় তাহলে তাকে তিন দিন দেওয়া হবে আর যদি সে ইসলামে ফিরে না আসে তাহলে তাকে কতল করা হবে..

গণতন্ত্রের কারণে কুফ্ফারদের কুফুরী কুফ্ফারদের মধ্যে সীমিত থাকেনা, কুফ্ফাররা তাদের নাস্তিকতা এবং তাদের কুফুরী বিশ্বাসের প্রতি অপেনলি মানুষকে আহবান দিতে পারে বৈধ ভাবে ইন্টারনেটে স্কলে ভার্সিটিতে ইত্যাদির মাধ্যমে..

গনতন্ত্রের কুফুরিতে একজন মুসলিম যার পরিপূর্ণ তাওহীদের গিয়ানের অভাব সে সহজেই লিপ্ত হতে পারে.. গণতন্ত্রের কুফুরী এই সহজ কোথায়ই বুঝা যায় 'গণতন্ত্রে সব ক্ষমতার মালিক মানুষ আর ইসলামে সব ক্ষমতার মালিক আল্লাহ'..

গণতন্ত্রে একজন মানুষ নিজে আল্লাহ বলে দাবি করে থাকে নিজেকে আল্লাহর সিফাত 'আল-হাকিম' - আইন দাতা দাবি করে পার্লামেন্টের মেম্বার হয়ে, মানব রচিত আইন দিয়ে শাসন করে..আর এইটাই গণতন্ত্র,এর থেকে বড় শিরিক কি আর হতে পারে?

তাই আমরা যদি সত্যিকারেরই পির পূজা মূর্তি পূজা বা অন্যান্য কুফুরী ধর্ম এই দুনিয়া থেকে মিটিয়ে দিতে চাই তাহলে আমাদের গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণ ভাবে বর্জন করতে হবে এবং ইসলাম রাষ্ট্রীয় ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে..

আল্লাহ যেন আমাদের বুঝার এবং আমল করার তাওফীক দান করেন আমিন !!


সবাই বলছে নির্বাচন বর্জন কর.. ইসলামিস্টরা কি বলে?

কোরআন সুন্নাহ মুতাবিক আমরাও বলছি নির্বাচন বর্জন কর..কারণ গণতান্ত্রিক সিস্টেমে ভোট দেওয়া শিরিক..আপনি যদি ভোট দিয়ে একজন বেক্তিকে মন্ত্রী বা এমপি বানিয়ে দেন তাহলে ওই বেক্তি এই ক্ষমতা পাবে যে সে পার্লামেন্টে গিয়ে আইন বানাবে বা আল্লাহর আইন ত্যাগ করে ওই মানব রচিত আইন দিয়ে শাসন করবে এবং এই কাজ শিরিক এবং কুফুর..

যেই বেক্তি নিজে আইন বানাল সে যেন নিজেকে আল্লাহ বলে দাবি করলো কারণ, আল্লাহ কোরআনে বলেছেন:
"আল্লাহ ই একমাত্র বিধানদাতা"{৬:৫৭}
এবং
যেই বেক্তি মানব রচিত আইন বা অন্য কোনো ধর্মের বিধান দিয়ে বিচার ফয়সালা বা শাসন করলো ওই বেক্তির ও ইমান নষ্ট হয়ে যাবে..আল্লাহ বলেছেন:
"যারা আল্লাহর দেওয়া বিধান ত্যাগ করে অন্য বিধান দিয়ে শাসন (বিচার,ফয়সালা) করে ওরা কাফির..{৫:৪৪}

যেই বেক্তি কুফুর দিয়ে শাসন করলো সেত শিরিক করলই সাথে যে ওই বেক্তিকে ভোট দিয়ে ওই ক্ষমতা দিল সেও শিরিক করলো ৷

অনেকে বলেন পার্লামেন্টে সুরাহ করা হয়..এই মত ভুল কারণ সুরাহ করা হয় কোনো হালাল বিষয়ে যেইটার কোরান সুন্নাহ থেকে ক্লিয়ার সমাধান মিলছেনা..আল্লাহ একটা রাষ্ট্র চালানোর জন্য সব আইন দিয়ে দিয়েছেন তাই এইটার জন্য আর সুরার দরকার নাই..অর্থাত পার্লামেন্টে সুরাহ নয় আল্লাহর দেওয়া আইন বদলিয়ে আইন বানানো হয়..

আল্লাহ যেন আমাদের বুঝার এবং আমল করার তাওফীক দান করেন..আমীন!!



ভোট দেও কাফির হও !!

আপনি নিশ্চই বিশ্বাস করেন "ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবন বেবস্তা" আর হয়ত আপনার এইটাও জানা আছেযে আল্লাহর দেওয়া এই জীবন বেবস্তায় আইন কানুন ও আছে, আর ইসলাম ছাড়া যত জীবন বেবস্তা আছে বা যত আইন কানুন আছে সব বাতিল ৷ কারণ আল্লাহ কোরআনে বলেছেন "আল্লাহই শুধু আইন/বিধান দেওয়ার মালিক"..()

গণতন্ত্র ও একটা জীবন বেবস্তা এবং গণতন্ত্রে মানুষ আইন বানায় আর যারা আইন বানায় ওরা যেন আল্লাহর সাথে কম্পিটিশন করলো বা নিজেকে ইলাহ দাবি করলো ও শিরিক করলো আর যারা ওই বেক্তিকে ভোট দিয়ে এই শিরিক করার ক্ষমতা দিল ওরাও শিরিক করলো.....আর যারা ভোট দেয়নি কিন্তু এমপি মন্ত্রীরা যখন আইন বানায় আর আল্লাহ যা বৈধ করে দিয়েছেন তা অবৈধ করে আর আল্লাহ যা অবৈধ করে দিয়েছেনতা বৈধ করে তা ora মেনে নেয় হাদিস মুতাবিক ওরাও শিরিক করলো !!

তাই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন !!





একজন মুশরিক যদি তার শিরক কর্মকে অস্বীকার করে, তবুও তা শিরক। এই অস্বীকার করা উক্ত কাজের status পরিবর্তন করেনা। একজন মাতালের মদ খাওয়া পরবর্তী মদকে অন্য নামে সম্বোধন মদকে হালাল করেনা। তেমনি মানবরচিত শাসনব্যবস্থাও কুফর শাসনব্যবস্থাই থাকে, একে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি লেবেল দিয়ে যতই মানুষের অধিকারের মিথ্যা ঢোল পিটানো হোক না কেন!












কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন