সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার নাম গনতন্ত



[[Democracy]]গনতন্তকে,
স্বাধারন ভাবে আমরা অনুভব
করি,দেশের জনগন এই
মতবাদে সম্পূর্ন স্বাধীনতা পায়।
কিন্তু আল্লাহ
সম্পূর্ন স্বাধীনতা একটা মানুষকে দেয়না।
বরঞ্চ আল্লাহ স্বাধীনতাকে খর্ব
করেছে। যেমন ছোট বেলায়
ইলমে দ্বীন শিক্ষা, সাবলক
হওয়ার সাথে সাথে নামাযের
জন্য মা বাবার উপর তার সন্তানকে চাপ প্রোয়গ করা,
এবং স্ত্রী অবাধ্য
হলে স্বামীকে শেষ পর্যন্ত
প্রহার করার অনুমতি,
এবং পিতা মাতার ক্ষেত্রে বিরুপ
হয়ে, উহ শব্দ টুকু উচ্চরন করতে, আল্লাহ সন্তানদের নিষেধ
করেছেন।পর্যায় ক্রমে মানুষ
কখনো স্বাধীন নয় আল্লাহর বাধ্য
বাধকতা থেকে। ®গভীর ভাবে কেউ যদি গনতন্তের
আইন গুলি বিশ্লেসন
করে দেখে,তাহলে আল্লাহর
বিরুদ্ধে
যুদ্ধ ঘোষনার নামই হল গনতন্ত,
সম্পূর্ন ইসলাম বিরোধী ভিন্য এক মতবাদের নাম গনতন্ত। গনতন্তের প্রতিষ্ঠাতা আব্রাহাম
লিঙ্কন ১৮০৯ সালের ১২
ফেব্রয়ারী জন্ম গ্রহন করেন
এবং ১৬ তম
রাস্টপতি হিসেবে ১৮৬১
সালে রিপাবলিকান দলের হয়ে, আমিরিকার ক্ষমতা গ্রহন করেন।
এবং উইলক্স বুথের
হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১৮৬৫
সালের ১৫ এপ্রিলে নিহত হন।
[সংক্ষিপ্ত] ® এই গনতন্তের এক
প্রতিচ্ছবী আমাদের দেশের
সংবিধান, ১৯৭২ সালে,
নভেম্বরের ৪ তারিখে এই
সংবিধান ডঃ কামালের
তত্বাবধানে প্রনীত হয়। এবং ঐ বছর ১৬ ডিসেম্বর
হতে সংবিধানটি এই
দেশে কার্যকর হয়। সেই সংবিধানের ৭/ ক এর ১ম
অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
প্রজাতন্তের সকল ক্ষমতার মালিক
জনগন, এবং জনগনের পক্ষে সেই
ক্ষমতার প্রোয়োগ কেবল এই
সংবিধানের অধীনে কার্যকর হইবে।
® আল্লাহ সূরাহ বাকারার ১৬৫
নং আয়াতে বলেছেন, সকল ক্ষমতার
উত্স আল্লাহ।[সংক্ষিপ্ত] সংবিধানের ৭/ক এর ২ম
অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জনগনের
অভিপ্রায়ের পরম
অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান
প্রজাতন্তের সর্বোচ্চ আইন,
যদি অন্য কোন আইন এই সংবিধানের সহীত অসমন্জস হয়
তাহলে ঐ অসমন্জস পূর্ন আইন,
ততখানিই বাতিল বলে গন্যহইবে।
[যদি কোরআনের বাধা দেয়] ®আল্লাহ সূরাহ ইউসূফের ৪০নং
আয়াতে বলেছেন, বিধান দিবার
অধিকার কেবল আল্লাহরই।
[সংক্ষিপ্ত] এবং সূরাহ আল
ইমরানের ২৬নং আয়াতে আল্লাহ
বলেছেন, বলহে সার্বভৌমত্বের মালিক আল্লাহ[সংক্ষিপ্ত] এই সংবিধান সুদকে হালাল
করেছে
®আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন।
দেখুন সূরাহ বাকারার ২৭৫
নং আয়াত। এবার মূল আলোচনায় আসা যাক। যারা ইসলামী রাজনীতি করছে আবার
দুই নারীর সাথে জোট বেধেছে,
তারা কি এই সংবিধানের
কুফরী বিধান গুলি জানেনা ??
হ্যাঁ অবশ্যই জানে, ®
তারা জানে বিধায় তো ইসলামকে ক্ষমতায় নেয়ার
জন্য, ইসলামী রাজনীতি করছে।
তাহলে তারা কেন ঐ
কুফরী সংবিধান দিয়ে, যারা দেশ
চালায়, তাদের সাথে বার বার
জোট করছে ?? খুবই সহজ উঃ শুধুই ক্ষমতার স্বাধ পাওয়ারজন্য। কারন আজ তারা সংগ্রাম
করতেছেন খালেদাকে প্রধান
মন্ত্রী বানানোর জন্য, কিন্তু
খালেদা প্রধান মন্ত্রী হয়ে তো ঐ
কুফরি সংবিধান দিয়েই দেশ
চালাবেন, তাহলে ঐ ইসলাম নামের দল গুলি, আল্লাহর
বিরুদ্ধে তৈরী করা ঐ
কুফরি মতবাদকে পরোক্ষ
ভাবে সাহায্য করলেন। তাই
আল্লাহর বিরুদ্ধ
মতবাদকে সাহায্য করে ইসলামী রাজনীতি করলে,
তাতে ইবাদত তো হবেইনা বরঞ্চ
গুনাহ হবে।
দেখুন তাগুত, মোনাফেকদের
সাথে সম্পর্ক রাখা ও সাহায্য
করার ব্যপারে আল্লাহ কি বলেছেন, তওবা ২৩/৭৩ ফুরকান
৫২/ নিসা ৭৬/১০৫
এবং কড়া হুশিয়ারী উচ্চরন
করেছেন আল ইমরানের
২৮নং এবং মায়িদাহর ৪৪/
আয়াতে। এবার আসেন
যারা বর্তমানে রাজপথে মৃত্যু
বরন করতেছে তারা কি শহীদ ???
না তারা শহীদ নয়। কারন যারা এখন
রাজপথে সংগ্রাম করতেছে ঠিকই,
কিন্তু দেশে নির্বাচন
হয়ে যাওয়ার পর, যখন
খালেদা প্রধান
মন্ত্রী হয়ে যাবে। তারপর তারা একদিনের জন্য ও হরতাল,
অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিলের মত
কর্মসূচী দিবেনা।
তাহলে তাদের বর্তমান
কর্মসূচী একমাত্র
খালেদাকে প্রধান মন্ত্রী বানানোর জন্য। এরপর যদি আপনারা বলেন জালিম
সরকারের বিরুদ্ধে আল্লাহ
সংগ্রাম করতে বলেছেন।
সূরাহ নিসার ৭৫/নং আয়াতে এটাও ভূল প্রোপাগান্ডা,
কয়েক বছর আগে বর্তমান
আঠারো দলীয় জোটের শরীক দল
গুলি,এই খালেদা জালিমের
বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে।এখন
তারাই জালিম হাসিনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতেছে। তাই রাজপথে স্বার্থের জন্য কেউ
সংগ্রাম করে মৃত্যু বরন করিলে,
তা হবে পরস্পর হত্যা। [কেউ
কাউকে হত্যা করলে সে যেন
পৃথিবীর সব মানুষকে হত্যা করলো]
মায়িদাহ ৩২/নং আয়াত। [সংক্ষিপ্ত] যদি তাদের
কথা অনুযায়ী আওয়ামীলীগ ও
ছাত্রলীগের লোকদের
মারাকে জিহাদের অংশ
ধরা নেয়া হয় ও। তাহলে ও
তারা এই সমাজে অপরাধী। কারন আল্লাহ যেখানেই জেহাদের
কথা বলেছেন,
সাথে সাথে সীমালংঘন
করতে নিষেধ করেছেন।
সীমালংঘন কারীকে আল্লাহ ভাল
বাসেন না। তাহলে পথচারী, ড্রাইভার,
রিকশা শ্রমীক ট্রেনে ও
বাসে আগুন
দিয়ে পুড়িয়ে এরা অবশ্যই নিরিহ
লোক ? এদের উপর আক্রমন
করা কি সীমালংঘন নয় ??? এবং রাজপথে ককটেল
ফুটানো গাড়ি ভাংঙ্গা মানুষ
পোড়ানো এই গুলি জিহাদ নয় বরঞ্চ
আল্লাহ এর বিরুদ্ধে কোরআনের
আয়াত নাযিল করেছেন।
[ফেত্না সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও জগন্য অপরাধ] বাকারা ১৯১/
নং আয়াত।এবং জালিম ব্যতীত আর
কাউকে আক্রমন করতে নিষেন
করেছেন। বাকারা ১৯৩/
নং আয়াত হ্যাঁ যদি আপনাদের
রাজনীতিটাকে ইবাদত ও
মৃত্যুকে শহীদি রূপ
দিতে হলে আগে আপনাদের গন্তব্য
ক্লিয়ার
এবং জরানো আগাছা পরিস্কার করতে হবে।তার পর
রাজপথে সংগ্রাম করলে ইবাদত ও
মৃত্যু বরন শহীদ উপাধী পাবে। জিহাদের বড় শর্তই হলো জিহাদ
ফি সাবিলিল্লাহ। আল্লাহর
পথে সংগ্রাম করা, জিহাদের
নামে সীমালংঘন না করা।
সীমালংঘন কারীকে আল্লাহ
ভালবাসেন না। বাকারা ১৯০ নং আয়াত।
WrittenBy@ Asaduzzaman
Khokon

মুতিপূঁজা ও গনতন্ত্র...
হিন্দুরা যেমন নিজেরাই
মাটি দিয়ে মুর্তি তৈরী করে নিজেরাই
সেগুলোর দাসত্ব করে আবার সময়
হলে নিজেরাই মুর্তির পাছায়
লাথি দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়।
গনতান্ত্রিক মুশরিকগন নিজেরাই
ভোট দিয়ে তাগুত শাসক (মিথ্যা রব)
নির্বাচন করে, নিজেরাই এগুলোর
দাসত্ব করে আবার ৫ বছর পর পর
নিজেরাই ঐ ভন্ড রবকে পাছায়
লাথি মেরে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেয়।
কি অদ্ভুদ মিল...!


 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন