ইসলামী রাষ্ট্র-ব্যবস্থা
ইসলামী রাষ্ট্র আমাদের প্রাণের দাবী।
ইসলামী হুকুমাত কায়েমের জন্য মৌলিক দুটি জিনিস দরকার।
১) কিতাবুল্লাহ (কুরআন শরীফ ও তার ব্যাখ্যা হিসেবে রাসূলুল্লাহ صلي الله عليه و سلم এর হাদীস শরীফ)
২) রিজালুল্লাহ (নিঃস্বার্থ, খোদাভীরু ও পরহেযগার আলেমে দীন। যিনি বিশুদ্ধভাবে পূর্ণ কিতাবুল্লাহর জ্ঞান রাখেন।)
আর এ শব্দদুটিকে রাজনৈতিক পরিভাষায় পর্যায়ক্রমে 'নীতি' ও 'নেতা' বল হয়। সুতরাং ইসলামী হুকুমাত কায়েমের স্বপ্ন বাস্তুবায়ন করতে চাইলে প্রথমে নীতির পরিবর্তন করতে হবে, অর্থাৎ সকল নীতির উর্দ্ধে কিতাবুল্লাহকে স্থান দিতে হবে। আর এই কাজটির জন্যই রিজালুল্লাহর প্রয়োজন, অর্থাৎ সুযোগ্য খোদাভীরু নির্লৌভ নিঃস্বার্থ নেতার প্রয়োজন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে "নেতার পরিবর্তন চাই" স্লোগানটি ভালো। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নিছক স্লোগানে কি কোন কিছু সাধন সম্ভব? বরং বুদ্ধিমানের কাজ হলো, এহেন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও সুচতুরতার সাথে নিজেকে সর্বাঙ্গিক যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা, যেন আসমানে (আল্লাহর কাছে) ও জমিনে (সর্বসাধারণের নিকট) আমি আস্থাভাজন ও সমাদৃত এবং খিলাফাতের হাল ধরার মত বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার যোগ্য হতে পারি। নতুবা নিষ্ফল অতীতের মত ভবিষ্যতও অভিশপ্ত হয়ে উঠবে।
আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, ইসলামী হুকুমাত কায়েম করার জন্য একমাত্র সীরাতুন্নাবী ও হায়াতুস সাহাবাকেই পূর্নাঙ্গ অনুসরণ করতে হবে। ইসলাম খুবই ঈর্ষাপরায়ণ। অন্য কারো নীতি-আদর্শকে ঋণ করে সে কায়েম হতে রাজী নয়। তাই যুগযুগান্তরের ইতিহাসে কোন বিকল্পধারায় ইসলামী হুকুমাত কায়েমের নজীর নেই এবং ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে না। সকল নীতি-আদর্শের উর্দ্ধে ইসলামের উদাহরণ হলো সুগন্ধির ন্যায়, যা কোন অপবিত্র স্থান থেকে অনুভব করা যায় না। যদি "মলমূত্র"কে ঘাটলে সুগন্ধি পাওয়া যেত তাহলে গণতন্ত্রের মধ্যে ইসলাম পাওয়ার সম্ভাবনাও ভাবা যেত। কিন্তু প্রথম বিষয়টি বিপরীত হওয়ায় দ্বিতীয়টিও অস্তিত্বহীন। তাই বর্তমান সকল তন্ত্রমন্ত্রের গায়ে লাথি মেরে কুরআনকে যদি বুকে আঁকড়ে ধরে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে অনুসরণ করতে শুরু করি তাহলেই সয়ংক্রিয়ভাবে ইসলামী হুকুমাত কায়েম হয়ে যাবে।
কারণ, ব্যক্তি ঠিক না হলে সমাজ ঠিক হবে না আর সমাজ ঠিক না হলে রাষ্ট্রও ঠিক হবে না। আর রাসূলুল্লাহও সর্বপ্রথম সাহাবায়ে কেরামকে তৈরী করেছেন তারপর তাদেরকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় পদে দায়িত্ব দিয়েছেন।
অতএব, আমাদের মধ্যে অন্তত একজন ব্যক্তিতো এমন থাকা উচিৎ অথবা না থাকলে তৈরী হওয়া প্রয়োজন, যিনি খেলাফত চালানোর জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে সুযোগ্য নির্বাচিত হবেন। আছে কি এমন কেউ? আল্লাহ তো কোন অপদার্থের হাতে তার খিলাফাত দিবেন না। অতএব যদি থিলাফাত প্রতিষ্ঠা করতে চাই তাহলে সূরা নূরের ৫৫ নং আয়াতটির মর্মার্থ অনুধাবন করার দাবী রাখে।
আপনারা কী বলেন? আমাকে একটু মতামত দিয়ে উপকার করুন।
ইসলামী হুকুমাত কায়েমের জন্য মৌলিক দুটি জিনিস দরকার।
১) কিতাবুল্লাহ (কুরআন শরীফ ও তার ব্যাখ্যা হিসেবে রাসূলুল্লাহ صلي الله عليه و سلم এর হাদীস শরীফ)
২) রিজালুল্লাহ (নিঃস্বার্থ, খোদাভীরু ও পরহেযগার আলেমে দীন। যিনি বিশুদ্ধভাবে পূর্ণ কিতাবুল্লাহর জ্ঞান রাখেন।)
আর এ শব্দদুটিকে রাজনৈতিক পরিভাষায় পর্যায়ক্রমে 'নীতি' ও 'নেতা' বল হয়। সুতরাং ইসলামী হুকুমাত কায়েমের স্বপ্ন বাস্তুবায়ন করতে চাইলে প্রথমে নীতির পরিবর্তন করতে হবে, অর্থাৎ সকল নীতির উর্দ্ধে কিতাবুল্লাহকে স্থান দিতে হবে। আর এই কাজটির জন্যই রিজালুল্লাহর প্রয়োজন, অর্থাৎ সুযোগ্য খোদাভীরু নির্লৌভ নিঃস্বার্থ নেতার প্রয়োজন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে "নেতার পরিবর্তন চাই" স্লোগানটি ভালো। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নিছক স্লোগানে কি কোন কিছু সাধন সম্ভব? বরং বুদ্ধিমানের কাজ হলো, এহেন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও সুচতুরতার সাথে নিজেকে সর্বাঙ্গিক যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা, যেন আসমানে (আল্লাহর কাছে) ও জমিনে (সর্বসাধারণের নিকট) আমি আস্থাভাজন ও সমাদৃত এবং খিলাফাতের হাল ধরার মত বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার যোগ্য হতে পারি। নতুবা নিষ্ফল অতীতের মত ভবিষ্যতও অভিশপ্ত হয়ে উঠবে।
আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, ইসলামী হুকুমাত কায়েম করার জন্য একমাত্র সীরাতুন্নাবী ও হায়াতুস সাহাবাকেই পূর্নাঙ্গ অনুসরণ করতে হবে। ইসলাম খুবই ঈর্ষাপরায়ণ। অন্য কারো নীতি-আদর্শকে ঋণ করে সে কায়েম হতে রাজী নয়। তাই যুগযুগান্তরের ইতিহাসে কোন বিকল্পধারায় ইসলামী হুকুমাত কায়েমের নজীর নেই এবং ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে না। সকল নীতি-আদর্শের উর্দ্ধে ইসলামের উদাহরণ হলো সুগন্ধির ন্যায়, যা কোন অপবিত্র স্থান থেকে অনুভব করা যায় না। যদি "মলমূত্র"কে ঘাটলে সুগন্ধি পাওয়া যেত তাহলে গণতন্ত্রের মধ্যে ইসলাম পাওয়ার সম্ভাবনাও ভাবা যেত। কিন্তু প্রথম বিষয়টি বিপরীত হওয়ায় দ্বিতীয়টিও অস্তিত্বহীন। তাই বর্তমান সকল তন্ত্রমন্ত্রের গায়ে লাথি মেরে কুরআনকে যদি বুকে আঁকড়ে ধরে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে অনুসরণ করতে শুরু করি তাহলেই সয়ংক্রিয়ভাবে ইসলামী হুকুমাত কায়েম হয়ে যাবে।
কারণ, ব্যক্তি ঠিক না হলে সমাজ ঠিক হবে না আর সমাজ ঠিক না হলে রাষ্ট্রও ঠিক হবে না। আর রাসূলুল্লাহও সর্বপ্রথম সাহাবায়ে কেরামকে তৈরী করেছেন তারপর তাদেরকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় পদে দায়িত্ব দিয়েছেন।
অতএব, আমাদের মধ্যে অন্তত একজন ব্যক্তিতো এমন থাকা উচিৎ অথবা না থাকলে তৈরী হওয়া প্রয়োজন, যিনি খেলাফত চালানোর জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে সুযোগ্য নির্বাচিত হবেন। আছে কি এমন কেউ? আল্লাহ তো কোন অপদার্থের হাতে তার খিলাফাত দিবেন না। অতএব যদি থিলাফাত প্রতিষ্ঠা করতে চাই তাহলে সূরা নূরের ৫৫ নং আয়াতটির মর্মার্থ অনুধাবন করার দাবী রাখে।
আপনারা কী বলেন? আমাকে একটু মতামত দিয়ে উপকার করুন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন